প্রোফাইল, পোর্টফোলিও ও প্রপোজাল
Profile, portfolio and proposal
ক্লায়েন্ট তোমাকে চেনে দুইভাবে — প্রোফাইল দিয়ে আর পোর্টফোলিও দিয়ে। প্রোফাইল হলো পরিচয়পত্র, আর পোর্টফোলিও হলো কাজের প্রমাণ। এরপর আসে প্রপোজাল, যা দিয়ে তুমি কাজটি চাওয়ার প্রস্তাব দাও।
1. প্রোফাইলে যা থাকা দরকার
ভালো প্রোফাইলের উপাদান
| উপাদান | কী থাকবে | কেন জরুরি |
|---|---|---|
| ছবি | পরিষ্কার মুখের ছবি, সরল পোশাক | ক্লায়েন্ট প্রথমে ছবিতেই ভরসা করে |
| শিরোনাম | কাজের নাম স্পষ্ট শব্দে | সার্চে প্রোফাইল খুঁজে পাওয়া যায় |
| বিবরণ | কী সেবা দাও ও কীভাবে কাজ করো | সাধারণ প্রশ্নের উত্তর আগেই থাকে |
| দক্ষতার ট্যাগ | যে কাজ করো, ঠিক সেটাই | ভুল ট্যাগে সময় নষ্ট হয় |
| অভিজ্ঞতা | আগের প্রকল্প ও ফলাফল | প্রমাণ থাকলে ভালো দাম মেলে |
| রেটিং | সততা ও সময়নিষ্ঠার ছাপ | উচ্চ রেটিং নতুন অর্ডার আনে |
2. পোর্টফোলিও — কাজের প্রমাণ
আগের কাজ না থাকলে নিজের জন্য ছোট প্রজেক্ট বানাও — যেমন নিজের এলাকার দোকানের লোগো বা একটি ডেমো ওয়েবসাইট। এই বানানো নমুনাকেও পোর্টফোলিওতে দেখানো যায়।
পোর্টফোলিওতে 3 থেকে 5টি সেরা কাজ রাখো, প্রতিটির নিচে দুই লাইনে লেখো কোন সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বেশি কিন্তু দুর্বল কাজের চেয়ে কম কিন্তু ভালো কাজ সুবিধা দেয়।
3. প্রপোজালের ছয় অংশ
প্রপোজাল লেখার ক্রম
- 1সম্বোধন ও হুক — ক্লায়েন্টের নাম ধরে বলো, তার কাজটি তুমি দেখেছ।
- 2সমস্যা বোঝার প্রমাণ — যে সমস্যাটি সে লিখেছে, সেটি নিজের ভাষায় লেখো।
- 3কাজের পরিকল্পনা — কোন ধাপে কী করবে, সংক্ষেপে লেখো।
- 4সময়সীমা — কত দিনে ডেলিভারি দেবে, স্পষ্ট লেখো।
- 5মূল্য — কত টাকা এবং কী কী সেবা এর মধ্যে থাকবে।
- 6কল টু অ্যাকশন — পরের ধাপ জানিয়ে লেখা শেষ করো।
4. নমুনা বাক্য
“হ্যালো, আপনার ক্যাফের মেনুর কাজটি দেখলাম। মেনুর অক্ষর ছোট হওয়ায় অনেক ক্রেতা পড়তে পারেন না — তাই আমি মেনু সাজিয়ে ব্র্যান্ড রঙে ডিজাইন করব। অনুমোদনের দুই দিন পর প্রথম ড্রাফট, তিন দিনে চূড়ান্ত ফাইল পাবেন। পূর্ণ প্যাকেজ 60 ডলার, দুইবার সংশোধনের সুযোগসহ।”
পরীক্ষার টিপ