NU ICT Guide লোগোNU ICT Guideআইসিটি ২১৯৯০৩ · ২১৯৯০৪

চার্ট, পিভট টেবিল ও প্রিন্ট

Charts, pivot tables and printing

এই লেসন পড়ার পরে তুমি পারবে

  • প্রধান চার্টের ধরন ও কোনটি কোথায় লাগে বলতে পারবে
  • চার্টের অংশগুলো চিনে ব্যাখ্যা করতে পারবে
  • স্ক্যাটার প্লট ও ট্রেন্ডলাইন দিয়ে পূর্বানুমান বুঝতে পারবে
  • পিভট টেবিল দিয়ে সারাংশ বানাতে ও প্রিন্টের প্রস্তুতি নিতে পারবে

চার্ট (chart) হলো স্প্রেডশিটের সংখ্যাগুলোকে ছবির মাধ্যমে দেখানোর উপায়। লম্বা তালিকা পড়ে কেউ কে এগিয়ে বোঝে না, কিন্তু চার্টে এক নজরেই ধরা পড়ে — এজন্যই প্রতিবেদনে চার্ট থাকলে লেখার পরিমাণ কমে, বোঝা বাড়ে।

চার্টের চারটি প্রধান অংশ মনে রাখতে হবে: শিরোনাম (কী দেখাচ্ছে), অক্ষের নাম (X ও Y অক্ষে কী আছে), ডেটা লেবেল (প্রতিটি বারের সঠিক মান) এবং লেজেন্ড (কোন রঙ কার)। লেজেন্ড বা ডেটা লেবেল বাদ পড়লে চার্টটি আঁকা হলেও উত্তর অসম্পূর্ণ হয়।

স্ক্যাটার প্লট (scatter plot) দুটি চলকের সম্পর্ক বিন্দু ছড়িয়ে দেখায়। বিন্দুগুলোর মাঝখান দিয়ে টানা রেখাটিই ট্রেন্ডলাইন (trendline) — এবং এর সাথে Excel সমীকরণ ও R-squared মান দেখাতে পারে, যা দিয়ে এখনো মাপা হয়নি এমন মানও পূর্বানুমান করা যায়।

পিভট টেবিল (pivot table) কাঁচা ডেটার সারি-সারি তালিকা থেকে কয়েক সেকেন্ডেই সারসংক্ষেপ বানায় — শুধু টেনে দিতে হয় কোনটি সারিতে (Rows) আর কোনটি হিসাবে (Values)। মূল ডেটা অপরিবর্তিত থাকে, তাই ভুল হলেও ক্ষতি নেই।

ওয়ার্কশিট সোজাসুজি ছাপলে প্রায়ই ডেটা দুই পৃষ্ঠায় ভাগ হয়ে যায় আর দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় শিরোনাম হারিয়ে যায় — তখন কোন কলাম কী বোঝা যায় না। তাই ছাপার আগে Print Area, Print Titles, Orientation ও Scale to Fit — এই চারটি সেটিং ঠিক করা জরুরি।