ডিজিটাল সিগনেচার কীভাবে কাজ করে? এর সুবিধা লেখো।
⭐⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 5 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 145 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো · চিত্র: u06-d08-digital-signature
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | ডিজিটাল সিগনেচারের সংজ্ঞা | 1–2 লাইন |
| 2 | সংজ্ঞা + হ্যাশ তৈরি | 4 লাইন |
| 3 | তিনটি ধাপ — হ্যাশ, সাইন, যাচাই | 8–10 লাইন |
| 4 | তিন ধাপ + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + সুবিধা ও চিত্র | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
সংজ্ঞা
ডিজিটাল সিগনেচার হলো ইলেকট্রনিকভাবে প্রেরকের পরিচয় এবং ডকুমেন্ট অপরিবর্তিত থাকার প্রমাণ — কাগজের স্বাক্ষরের ডিজিটাল রূপ, কিন্তু অনেক বেশি নিরাপদ।
কীভাবে কাজ করে
ধাপ 1 — হ্যাশ তৈরি
ধাপ 1 — হ্যাশ তৈরি: প্রথমে ডকুমেন্টের একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের হ্যাশ বা মেসেজ ডাইজেস্ট তৈরি করা হয়, যা ডকুমেন্টের আঙুলের ছাপের মতো কাজ করে।
ধাপ 2 — প্রাইভেট চাবি দিয়ে সাইন
ধাপ 2 — সাইন করা: প্রেরক নিজের প্রাইভেট চাবি দিয়ে সেই হ্যাশ এনক্রিপ্ট করেন; এই এনক্রিপ্টেড হ্যাশই ডিজিটাল সিগনেচার, যা ডকুমেন্টের সাথে যায়।
ধাপ 3 — পাবলিক চাবি দিয়ে যাচাই
ধাপ 3 — যাচাই: প্রাপক প্রেরকের পাবলিক চাবি দিয়ে সিগনেচার খোলেন, তারপর ডকুমেন্ট থেকে নতুন করে হ্যাশ বানিয়ে দুটো মিলিয়ে দেখেন — মিলে গেলে ডকুমেন্ট অপরিবর্তিত।
সুবিধা
সুবিধা: প্রেরকের পরিচয় নিশ্চিত হয়, ডকুমেন্ট বদল হলে সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়ে, প্রেরক পরে অস্বীকার করতে পারেন না এবং ই-লেনদেন ও অনলাইন আবেদনে আইনি প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, ডিজিটাল সিগনেচার গোপনীয়তা নয়, বরং পরিচয় ও অখণ্ডতার নিশ্চয়তা দেয়; তাই ডিজিটাল লেনদেনে এটি অপরিহার্য।