এনক্রিপশন কী? এর ধরনগুলো লেখো।
⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 4 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 113 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | এনক্রিপশনের সংজ্ঞা | 1–2 লাইন |
| 2 | সংজ্ঞা + কাজের ধারা | 4 লাইন |
| 3 | সিমেট্রিক ও অ্যাসিমেট্রিক — দুই ধরন | 8–10 লাইন |
| 4 | উপরের সব + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + কোথায় কোনটি ব্যবহৃত হয় | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
সংজ্ঞা
এনক্রিপশন (Encryption) হলো ডেটাকে গোপন কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া, যাতে সঠিক চাবি ছাড়া কেউ সেটি পড়তে না পারে।
কীভাবে কাজ করে
কীভাবে কাজ করে: মূল ডেটা (plaintext) একটি অ্যালগরিদম ও চাবির সাহায্যে সাইফার টেক্সটে বদলে যায়; প্রাপক সেই চাবি দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে আবার মূল রূপে ফেরান।
দুই ধরন
1. সিমেট্রিক এনক্রিপশন
সিমেট্রিক এনক্রিপশন: এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট দুই ক্ষেত্রেই একই চাবি ব্যবহার হয় — দ্রুত, কিন্তু চাবিটি নিরাপদে পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ।
2. অ্যাসিমেট্রিক এনক্রিপশন
অ্যাসিমেট্রিক এনক্রিপশন: পাবলিক ও প্রাইভেট — দুইটি আলাদা চাবির জোড়া থাকে; পাবলিক চাবি দিয়ে লক করা যায়, খুলতে হয় প্রাইভেট চাবি দিয়ে (যেমন HTTPS)।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, এনক্রিপশন তথ্যকে চুরির হাত থেকে বাঁচায় — ডেটা চুরি হলেও চাবি না থাকলে সেটি অর্থহীন হয়ে পড়ে।