DoS ও DDoS আক্রমণের পার্থক্য লেখো।
⭐⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 4 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 90 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | যেকোনো একটির সংজ্ঞা | 1–2 লাইন |
| 2 | দুটির সংজ্ঞা | 4–5 লাইন |
| 3 | দুটির সংজ্ঞা + টেবিলের 5 সারি | 8–10 লাইন |
| 4 | সংজ্ঞা + টেবিল + প্রভাব + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + প্রতিরোধের উপায় ও চিত্র | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
সংজ্ঞা দুইটি
DoS (Denial of Service) আক্রমণে একজন আক্রমণকারী একটি কম্পিউটার থেকে অতিরিক্ত রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সার্ভারকে অচল করে দেয়।
DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণে হাজারো আক্রান্ত কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক (বটনেট) একসাথে রিকোয়েস্ট পাঠায়, তাই আক্রমণ অনেক বড় ও ঠেকানো কঠিন।
মূল পার্থক্য
প্রভাব ও প্রতিরোধ
প্রভাব: ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবা বন্ধ হয়ে যায়, ব্যবসার ক্ষতি হয়, গ্রাহক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাস নষ্ট হয়।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, দুইটিই সার্ভার অচল করার আক্রমণ; তবে DDoS ছড়িয়ে থাকা হাজারো ডিভাইস থেকে আসে, তাই এটি ঠেকানো অনেক কঠিন।