হ্যাকিংয়ের সাধারণ ধাপ ও প্রতিরোধের উপায় লেখো।
⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 4 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 109 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | হ্যাকিং ধাপে ধাপে হয় — এক লাইনে | 1–2 লাইন |
| 2 | ভূমিকা + তথ্য সংগ্রহের ধাপ | 4 লাইন |
| 3 | চারটি ধাপের তালিকা | 8–10 লাইন |
| 4 | ধাপ + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + প্রতিটি ধাপে প্রতিরোধের উপায় | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
ভূমিকা
হ্যাকার এক ধাপে ঢুকে পড়ে না — সে ধাপে ধাপে এগোয়: আগে তথ্য, তারপর দুর্বলতা, সবশেষে প্রবেশ ও দখল।
ধাপগুলো
1. তথ্য সংগ্রহ (Reconnaissance)
1. তথ্য সংগ্রহ: প্রতিষ্ঠান, কর্মী, ব্যবহৃত সফটওয়্যার ও খোলা পোর্ট সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে — প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়া বা ফিশিং থেকে।
2. দুর্বলতা খোঁজা ও কাজে লাগানো
2. দুর্বলতা খোঁজা ও কাজে লাগানো: স্ক্যান চালিয়ে পুরোনো সফটওয়্যার, ডিফল্ট পাসওয়ার্ড বা দুর্বল পাসওয়ার্ড খুঁজে সুযোগ নেওয়া।
3–4. প্রবেশ, দখল ও চিহ্ন মুছে ফেলা
3. প্রবেশ ও দখল: অ্যাকাউন্ট দখল করে ডেটা চুরি, ফাইল বদল বা ম্যালওয়্যার বসানো; 4. চিহ্ন মুছে ফেলে লুকিয়ে থাকা, যাতে ধরা না পড়ে।
প্রতিরোধ
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, হ্যাকিংয়ের ধাপগুলো জানলে প্রতিটি ধাপেই বাধা দেওয়া সম্ভব — শেষ ধাপে না, বরং প্রথম ধাপ থেকেই প্রতিরোধ শুরু করতে হয়।