ফ্রিওয়্যার, শেয়ারওয়্যার ও সফটওয়্যার লাইসেন্স লেখো।
⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 5 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 141 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | লাইসেন্স কী | 1–2 লাইন |
| 2 | লাইসেন্স + ফ্রিওয়্যার | 4 লাইন |
| 3 | লাইসেন্স + ফ্রিওয়্যার ও শেয়ারওয়্যার + পার্থক্য | 8–10 লাইন |
| 4 | উপরের সব + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + ট্রায়াল, সাবস্ক্রিপশন ও সাইট লাইসেন্স | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
লাইসেন্স কী
সফটওয়্যার লাইসেন্স (Software Licence) বলতে বোঝায় সফটওয়্যার ব্যবহারের অনুমতি ও শর্তের লিখিত চুক্তি, যা ব্যবহারকারী ও নির্মাতার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
ফ্রিওয়্যার ও শেয়ারওয়্যার
1. ফ্রিওয়্যার (Freeware)
ফ্রিওয়্যার (Freeware): যে সফটওয়্যার বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারের সময়সীমা থাকে না, তবে সোর্স কোড গোপন থাকে। যেমন: Google Chrome, Zoom।
2. শেয়ারওয়্যার (Shareware)
শেয়ারওয়্যার (Shareware): যে সফটওয়্যার একটি নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট সুবিধার সীমা পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়; এরপর টাকা দিয়ে নিবন্ধন করতে হয়। যেমন: WinRAR (ট্রায়াল)।
মূল পার্থক্য: ফ্রিওয়্যারে কোনো সময়সীমা নেই, শেয়ারওয়্যারে সীমা শেষ হলে পুরোপুরি ব্যবহারের জন্য মূল্য দিতে হয়।
অন্যান্য লাইসেন্স
অন্যান্য লাইসেন্স ধরন: ট্রায়াল (অল্প দিনের জন্য সম্পূর্ণ সুবিধা), সাবস্ক্রিপশন (মাসিক বা বার্ষিক মূল্যে ব্যবহার) এবং সাইট লাইসেন্স (একটি প্রতিষ্ঠানের অনেক কম্পিউটারে ব্যবহারের অনুমতি)।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, লাইসেন্স পড়ে সফটওয়্যার ব্যবহার করাই আইনসম্মত ও নিরাপদ; শেয়ারওয়্যারকে ফ্রিওয়্যার ভেবে ভুল করা যায় না, কারণ সীমা শেষ হলে ব্যবহার বন্ধ হয়।