মাল্টিটাস্কিং, মাল্টিপ্রোগ্রামিং, মাল্টিপ্রসেসিং ও মাল্টিউজার ব্যাখ্যা করো।
⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 4 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 114 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | একটি পরিভাষার অর্থ বা পরিচিতি | 1–2 লাইন |
| 2 | পরিচিতি + মাল্টিটাস্কিং | 4 লাইন |
| 3 | চারটির অর্থ এক-এক লাইনে | 8–10 লাইন |
| 4 | চারটি ব্যাখ্যা + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + প্রতিটির উদাহরণ বিস্তারিত | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
পরিচিতি
কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বোঝাতে চারটি পরিভাষা ব্যবহৃত হয় — মাল্টিটাস্কিং, মাল্টিপ্রোগ্রামিং, মাল্টিপ্রসেসিং ও মাল্টিউজার; এরা কে কাজ চালায় ও কতজন ব্যবহার করেন তা বোঝায়।
চারটি পরিভাষা
1. মাল্টিটাস্কিং
মাল্টিটাস্কিং: একজন ব্যবহারকারী একসাথে কয়েকটি প্রোগ্রাম চালাতে পারেন। যেমন: গান শুনতে শুনতে লেখা।
2. মাল্টিপ্রোগ্রামিং
মাল্টিপ্রোগ্রামিং: একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে মেমোরিতে রেখে প্রসেসর পালা করে চালায়, ফলে অপেক্ষার সময় কমে। যেমন: ব্যাকগ্রাউন্ডে সফটওয়্যার আপডেট চলা।
3. মাল্টিপ্রসেসিং
মাল্টিপ্রসেসিং: দুই বা ততোধিক প্রসেসর একসাথে কাজ ভাগ করে করে, ফলে হিসাব দ্রুত শেষ হয়। যেমন: ডুয়াল কোর বা কোয়াড কোর প্রসেসর।
4. মাল্টিউজার
মাল্টিউজার: অনেক ব্যবহারকারী একই কম্পিউটারে একসাথে কাজ করেন; সাধারণত সার্ভারে বা ল্যাবের কম্পিউটারে এটি দেখা যায়।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, এই চারটি ধারণা কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বোঝায়; আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলো সবগুলো সুবিধাই একসাথে দিতে সক্ষম।