অপারেটিং সিস্টেমের ধরন ও উদাহরণ লেখো।
⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 5 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 129 শব্দ।
টেবিলে 5টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | ভিত্তি বা একটি ধরনের নাম | 1–2 লাইন |
| 2 | ভিত্তি + সিঙ্গেল ইউজার OS | 4 লাইন |
| 3 | তিন–চার ধরনের নাম ও বৈশিষ্ট্য | 8–10 লাইন |
| 4 | চার–পাঁচ ধরন + টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + পূর্ণ টেবিল ও RTOS-এর উদাহরণ | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি
ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও একসাথে কতগুলো কাজ চলে — এই ভিত্তিতে অপারেটিং সিস্টেমকে কয়েক ধরনে ভাগ করা হয়।
অপারেটিং সিস্টেমের ধরন
1. সিঙ্গেল ইউজার সিঙ্গেল টাস্ক
সিঙ্গেল ইউজার সিঙ্গেল টাস্ক: একসাথে একজন ব্যবহারকারী একটি কাজ করতে পারেন। উদাহরণ — পুরোনো MS-DOS।
2. সিঙ্গেল ইউজার মাল্টিটাস্কিং
সিঙ্গেল ইউজার মাল্টিটাস্কিং: একজন ব্যবহারকারীই একসাথে কয়েকটি কাজ চালাতে পারেন। উদাহরণ — Windows 11, macOS।
3. মাল্টি-ইউজার
মাল্টি-ইউজার: একই কম্পিউটারে একসাথে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারেন। উদাহরণ — Linux, Unix, Windows Server।
4. রিয়েল টাইম (RTOS)
রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS): নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফল দিতেই হয়, দেরি হলে ক্ষতি। উদাহরণ — গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেম, রোবোটিকস, পেসমেকার।
5. নেটওয়ার্ক ও ডিস্ট্রিবিউটেড
নেটওয়ার্ক ও ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম: একাধিক কম্পিউটার মিলে একটি কাজ ভাগ করে করে। উদাহরণ — Windows Server, ল্যাবের নেটওয়ার্ক সিস্টেম।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, কাজের ধরন অনুযায়ী OS বেছে নিতে হয় — ব্যক্তিগত ল্যাপটপে মাল্টিটাস্কিং আর সার্ভারে মাল্টি-ইউজার OS দরকার হয়।