অ্যানালগ, ডিজিটাল ও হাইব্রিড কম্পিউটারের পার্থক্য লেখো।
⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 4 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 96 শব্দ।
টেবিলে 5টি সারি রাখো
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি | 1–2 লাইন |
| 2 | ভিত্তি + অ্যানালগ কম্পিউটারের সংজ্ঞা | 4 লাইন |
| 3 | তিনটির সংজ্ঞা + টেবিলের 5 সারি | 8–10 লাইন |
| 4 | তিনটির সংজ্ঞা বিস্তারিত + পূর্ণ টেবিল + উপসংহার | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | উপরের সব + প্রতিটির উদাহরণ দুইটি করে | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি
প্রক্রিয়াকরণের ধরন বা ডেটার প্রকৃতির ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় — অ্যানালগ, ডিজিটাল ও হাইব্রিড।
তিন ধরনের কম্পিউটার
1. অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): চলমান ভৌত রাশি (যেমন ভোল্টেজ, তাপমাত্রা) দিয়ে হিসাব করে; যেমন স্পিডোমিটার, অ্যানালগ ঘড়ি।
2. ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer): বিচ্ছিন্ন 0 ও 1 ডিজিটে কাজ করে নির্ভুল ফলাফল দেয়; যেমন ল্যাপটপ, ক্যালকুলেটর।
3. হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer): অ্যানালগ ও ডিজিটাল দুই পদ্ধতির সমন্বয়; যেমন হাসপাতালের ICU মনিটর, আধুনিক গাড়ির ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, অ্যানালগ কম্পিউটার ভৌত রাশি মাপে, ডিজিটাল কম্পিউটার সুনির্দিষ্ট হিসাব করে আর হাইব্রিড দুইয়ের সুবিধা একসাথে ব্যবহার করে।