আকার ও ক্ষমতার ভিত্তিতে কম্পিউটারকে শ্রেণিবিন্যাস করো।
⭐⭐⭐⭐⭐পরীক্ষায় এই টপিকটি 5 নম্বরে এলে ঠিক এতটুকুই লিখবে — প্রায় 110 শব্দ।
টেবিলে 4টি সারি রাখো · চিত্র: u01-d03-classification-tree
কত নম্বরে কতটা লিখবে
| নম্বর | কী লিখবে | আকার |
|---|---|---|
| 1 | শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি বা একটি শ্রেণির নাম | 1–2 লাইন |
| 2 | ভিত্তি + সুপার কম্পিউটার | 4 লাইন |
| 3 | চারটি শ্রেণির নাম ও বৈশিষ্ট্য এক লাইনে | 8–10 লাইন |
| 4 | চার শ্রেণি + টেবিল + শ্রেণিবিন্যাসের চিত্র | ~1 পৃষ্ঠা |
| 5 | প্রতিটি শ্রেণির বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ + টেবিল + চিত্র | 1–1.5 পৃষ্ঠা |
শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি
শ্রেণিবিন্যাস বলতে বোঝায় আকার, গতি, দাম ও ব্যবহারের ভিত্তিতে কম্পিউটারকে আলাদা আলাদা শ্রেণিতে ভাগ করা; এখানে আকার ও ক্ষমতার ভিত্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
আকার ও ক্ষমতার ভিত্তিতে শ্রেণি
1. সুপার কম্পিউটার (Supercomputer)
সুপার কম্পিউটার (Supercomputer): সবচেয়ে শক্তিশালী ও দামি; আবহাওয়ার পূর্বাভাস, মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe)
মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe): বড় প্রতিষ্ঠানের বিশাল কম্পিউটার, যেখানে একসাথে শত শত ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে — যেমন ব্যাংক ও রেলওয়ের রিজার্ভেশন।
3. মিনি কম্পিউটার (Minicomputer)
মিনি কম্পিউটার (Minicomputer): ক্ষমতায় মেইনফ্রেমের চেয়ে ছোট, বিভাগীয় বা মাঝারি কাজে ব্যবহৃত।
4. মাইক্রো কম্পিউটার (Microcomputer)
মাইক্রো কম্পিউটার (Microcomputer): একক ব্যবহারকারীর জন্য ছোট কম্পিউটার; ডেস্কটপ, ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন এর উদাহরণ।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, আকার ও ক্ষমতার এই শ্রেণিবিন্যাস কাজের ধরন অনুযায়ী সঠিক যন্ত্র বেছে নিতে সাহায্য করে।